প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার (১৩ জুন) কক্সবাজারে দিনব্যাপী একাধিক সরকারি ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। সফরে তিনি খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক শহীদের কবর জিয়ারত, নতুন প্রশাসনিক ইউনিটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং রাজনৈতিক জনসভায় বক্তব্য দেবেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছে তিনি চকরিয়ার পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী খাল পুনঃখনন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
সকাল সাড়ে ১০টায় পাতলী খালের পুনঃখনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন তিনি। এ উপলক্ষে আয়োজিত পথসভায় স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
পরে তিনি ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করবেন। এরপর মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী ‘২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’র উদ্বোধন করবেন। পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় এ কর্মসূচিকে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সফরের পরবর্তী ধাপে প্রধানমন্ত্রী পেকুয়া উপজেলায় যাবেন। সেখানে জুলাই গণঅভ্যুত্থান-২০২৪-এ কক্সবাজার জেলার প্রথম শহীদ মো. ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করবেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
এ সময় নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পাশাপাশি নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা এসব কর্মসূচি ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।
বিকেল ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় আয়োজিত রাজনৈতিক জনসভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জনসভায় তিনি দলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ জনগণের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
জনসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী চকরিয়া থেকে মেরিন ড্রাইভ সড়কের উদ্দেশে যাত্রা করবেন। এ সময় তিনি মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন।
দিনের শেষ কর্মসূচি হিসেবে কক্সবাজারের লং বিচ হোটেলের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে কক্সবাজার বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার মধ্য দিয়ে তার একদিনের কক্সবাজার সফর শেষ হবে।
সফরকে ঘিরে কক্সবাজার, চকরিয়া ও পেকুয়া এলাকায় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
