এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে একতরফা ম্যাচ হলো কানাডা ও কাতারের মধ্যে। দুই লাল কার্ড দেখে নয়জনের দলে পরিণত হয় কাতার। জোনাথান ডেভিডের হ্যাটট্রিকে ভর করে কানাডা ম্যাচটা জিতেছে ৬-০ গোলে।
আক্রমণের পর আক্রমণ করে ম্যাচের ১৬ মিনিটে প্রথম গোল দেয় কানাডা। ডান প্রান্ত থেকে জনস্টন বাইলাইন বরাবর দারুণ একটি ক্রস তুলে দেন। বলটি পৌঁছে যায় ডেভিডের কাছে, যার শক্তিশালী শট প্রথমে কাতারের গোলরক্ষক আবুনাদা ঠেকিয়ে দেন।
তবে বিপদ পুরোপুরি কাটাতে পারেননি তিনি। গোলরক্ষকের হাত ফসকে বলটি বিপজ্জনক জায়গায় চলে আসলে সুযোগসন্ধানী লারিন খুব কাছ থেকে বলটি জালে ঠেলে দেন (১-০)।
২৯ মিনিটে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় কানাডা। বুকানান মাঝমাঠ থেকে দুর্দান্ত গতিতে বল নিয়ে এগিয়ে যান। এরপর বাঁ পায়ে বল সেট করে শট নেন। তার শটটি ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে বক্সের ভেতরে থাকা ডেভিডের সামনে চলে আসে।
সুযোগটি হাতছাড়া করেননি ডেভিড। অসাধারণ দক্ষতায় ডান পায়ের এক নিখুঁত ভলিতে তিনি বলটি গোলের নিচের ডান কোণে পাঠিয়ে দেন। গোলরক্ষকের কোনো সুযোগই ছিল না!
৩১ মিনিটে বুকানানকে ফেলে দেওয়ার কারণে প্রথমে এল আমিনকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি এবং একই সঙ্গে পেনাল্টির নির্দেশ দেন। তবে এরপর ভিএআর হস্তক্ষেপ করে ঘটনাটি পুনরায় পর্যালোচনা করা হয়।
রিপ্লেতে দেখা যায়, ফাউলটি আসলে পেনাল্টি বক্সের ঠিক বাইরে হয়েছে। ফলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত বাতিল করে কানাডাকে একটি ডাইরেক্ট ফ্রি-কিক দেওয়া হয়।
