ইরানের আকস্মিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জোরালো পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, পশ্চিম ও মধ্য ইরানের বেশ কয়েকটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান বাহিনী সফলভাবে হামলা পরিচালনা করেছে।
ইরানের স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে, ইসরায়েলি হামলায় রাজধানী তেহরান, তাবরিজ ও ইসফাহান শহরে একের পর এক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের বিকট শব্দে তিন শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আইডিএফ এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে জানিয়েছে, অভিযানের বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলোই ছিল এই হামলার প্রধান লক্ষ্য।
এদিকে হামলার সময়টি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, এর কিছুক্ষণ আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে তাৎক্ষণিক পাল্টা হামলা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক মহলে উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চললেও সেই আহ্বান উপেক্ষা করেই ইরানে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল।
টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শহরের সামরিক ঘাঁটিতে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো বোমাবর্ষণ করেছে। এ হামলার পর ইরান নতুন করে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানায়, সেদিকেই এখন নজর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই সংঘাত নতুন মাত্রা পাওয়ায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন
