বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলা ও ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।
এর আগে গত মাসের শেষ দিকে একই ধরনের সংঘাত ও সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার কারণে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২৬ ডলারেরও বেশি উঠেছিল। পরে কূটনৈতিক সমাধানের আশায় দাম কিছুটা কমে সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৯৭ ডলারে নেমে আসে।
তবে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘ সময় ধরে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বৈশ্বিক তেল মজুতও কমে এসেছে। পাশাপাশি আসন্ন গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণ মৌসুমে জ্বালানির চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনাও দাম বৃদ্ধির চাপ তৈরি করছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
