আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেই প্রস্তুতি ও সিদ্ধান্ত নিতে চায় বিএনপি। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হওয়ায় প্রতিটি ক্ষেত্রে শরিকদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বিএনপির চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার গঠনের পর গত পাঁচ মাস নানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ও ব্যস্ততার কারণে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শরিক দলগুলোর বৈঠক হয়নি। তবে দেরিতে হলেও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সরকারের কর্মকাণ্ড এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়েছে।
তিনি জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর অগ্রাধিকারভিত্তিক বিভিন্ন কাজে সরকার ব্যস্ত থাকলেও এখন জনগণের কাছে পৌঁছাতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আরও নিয়মিত বৈঠক ও মতবিনিময়ের আশ্বাস দিয়েছেন।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, আন্দোলনের সময় ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্বাক্ষরিত ‘জুলাই সনদ’ সরকার অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে বলে প্রধানমন্ত্রী শরিকদের আশ্বস্ত করেছেন।
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শরিকদের ভূমিকা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, যেহেতু নির্বাচন দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হবে না, তাই প্রতিটি ক্ষেত্রে শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ব্রিফিংয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি উপস্থিত ছিলেন।
