বাড়িজাতীয়আনিসুর রহমানের কবর জিয়ারত, পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার আবদুল জলিলের

আনিসুর রহমানের কবর জিয়ারত, পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার আবদুল জলিলের

গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার চারবারের সফল সাবেক মেয়র ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মরহুম আনিসুর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল জলিল বিএ। একই সঙ্গে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁদের খোঁজখবর নেন এবং গভীর সমবেদনা জানান।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে উপজেলার মাধখলা এলাকায় মরহুম আনিসুর রহমানের বাসভবনে যান আবদুল জলিল বিএ। এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। মরহুম মেয়রের বাসভবনে পৌঁছে আবদুল জলিল বিএ তাঁর স্ত্রী, সন্তানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তিনি পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং এই অপূরণীয় ক্ষতিতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন।
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে নেতাকর্মীদের নিয়ে মাধখলা এলাকার পারিবারিক কবরস্থানে যান সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান। সেখানে তিনি গত ৭ জুন ইন্তেকাল করা সাবেক মেয়র আনিসুর রহমান এবং তাঁর মৃত্যুর সংবাদ শুনে স্ট্রোক করে মারা যাওয়া ছোট বোন রাশিদা আক্তারের কবর জিয়ারত করেন।
পরে মরহুম ভাই-বোনের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত সবাই তাঁদের রুহের শান্তি কামনা করেন।
কবর জিয়ারত শেষে আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় আবদুল জলিল বিএ বলেন, “মরহুম মেয়র আনিস ভাই শুধু একজন সফল জনপ্রতিনিধিই ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের অত্যন্ত প্রিয় ও আপন মানুষ। শ্রীপুরের উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন আনিস ভাই ও তাঁর বোনকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন। আমরা সবসময় তাঁদের পরিবারের পাশে আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।”
এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং মরহুম মেয়রের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
শ্রীপুরজুড়ে এখনও শোকের আবহ
উল্লেখ্য, গত ৭ জুন রাজধানীর উত্তরায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন শ্রীপুর পৌরসভার বারবার নির্বাচিত সাবেক মেয়র আলহাজ্ব আনিসুর রহমান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন।
অন্যদিকে, তাঁর মৃত্যুর খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা সহ্য করতে না পেরে স্ট্রোক করেন তাঁর পিঠাপিঠি ছোট বোন রাশিদা আক্তার। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
গত ৮ জুন মাধখলা মাঠে যৌথ জানাজা শেষে ভাই-বোনকে পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়। একই দিনে দুই ভাই-বোনের মৃত্যুতে শ্রীপুরজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া, যা এখনও স্থানীয় মানুষের হৃদয়ে গভীর বেদনার স্মৃতি হয়ে আছে।

Notify of
0 Comments
সবচেয়ে পুরাতন
সবচেয়ে নতুন Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
আরো দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ