ফ্যামিলি কার্ডের পর এবার দেশের কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী পহেলা বৈশাখ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
রোববার সকালে বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশীদ, কৃষি প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং স্থানীয় সরকার, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
কৃষি প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, কৃষক কার্ড চালুর এই উদ্যোগ দেশের প্রান্তিক কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং কৃষি খাতের আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলা নববর্ষের দিন প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দেশের কৃষকদের জন্য নতুন এই সুবিধার সূচনা হবে।
তিনি আরও জানান, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং কৃষি প্রণোদনা সরাসরি ও স্বচ্ছভাবে বিতরণ করা সম্ভব হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষি সরঞ্জাম, ভর্তুকি ও বিভিন্ন প্রণোদনা পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ ও আধুনিক করা হবে।
এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ‘কৃষক কার্ড’ চালু সংক্রান্ত একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মতো কৃষকদের জন্যও ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে দ্রুতই একটি পাইলট প্রকল্প শুরু হবে।
তিনি বলেন, কৃষক কার্ড চালুর বিষয়টি সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ। নীতিগত সিদ্ধান্ত অনেক আগেই নেওয়া হয়েছে। এখন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
