পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একইসঙ্গে তিনি তার নির্বাচনি এলাকা কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের জনগণকেও ঈদের শুভেচ্ছা জানান।
শুভেচ্ছাবার্তায় তিনি বলেন, এক মাসের সিয়াম সাধনার পর ঈদ আমাদের মাঝে আনন্দ, শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আসে। ঈদের শিক্ষা হচ্ছে সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা, যা সমাজে সাম্য ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ঈদের এই আনন্দ ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার জীবনে সুখ ও শান্তি বয়ে আনবে। তিনি বলেন, “সাম্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়াই হোক আমাদের অঙ্গীকার।” একইসঙ্গে তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি দেশবাসীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করেন এবং সবাই যেন নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারে—সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
কক্সবাজার সফরে মন্ত্রী, ঈদ উদযাপন পেকুয়ায়
ঈদ উদযাপন উপলক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ শুক্রবার (২০ মার্চ) রাত ৮টায় ঢাকা থেকে কক্সবাজার পৌঁছান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ও সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা আহমদ। কক্সবাজার বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান স্থানীয় সংসদ সদস্য, প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা। পরে তিনি হিলটপ সার্কিট হাউসে অবস্থান নেন এবং সেখানে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। রাত ১০টার দিকে তিনি নিজ বাড়ি পেকুয়ার উদ্দেশে রওনা হন।
ঈদের নামাজ ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ। সফরসূচি অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৯টায় পেকুয়া ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন তিনি। নামাজ শেষে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
রোববার দুপুর ১২টায় পেকুয়া সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউশন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনীতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার। এছাড়া তিনি কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত পরিদর্শনের পরিকল্পনার কথাও জানান এবং সৈকতের বালিয়াড়িতে অবৈধ স্থাপনা না রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
তিন দিনের সফর শেষে ঢাকায় ফেরা তিন দিনের এই সফর শেষে রোববার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে তিনি কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর এটি তার দ্বিতীয় কক্সবাজার সফর।
