সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে জামালপুর ও মাদারীপুর জেলার ৬০ গ্রামের মানুষ ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে দুই জেলায় মিলিয়ে অর্ধলক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
জামালপুরে ২০ গ্রামের ঈদ: জামালপুরের সরিষাবাড়ী, ইসলামপুর ও মাদারগঞ্জ উপজেলার মোট ২০টি গ্রামে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে সরিষাবাড়ীতে ১৪টি, ইসলামপুরে ৫টি এবং মাদারগঞ্জে ১টি গ্রাম অন্তর্ভুক্ত।
সকাল সাড়ে ৮টায় সরিষাবাড়ী পৌরসভার বলারদিয়ার মধ্যপাড়া মাস্টার বাড়ি জামে মসজিদ মাঠে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন খতিব আজিম উদ্দিন মাস্টার। ঈদের নামাজে পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নেন।
স্থানীয়দের দাবি, তারা কোনো দেশের সঙ্গে মিল রেখে নয়, বরং চাঁদ দেখার ভিত্তিতেই রোজা ও ঈদ পালন করেন। প্রায় তিন দশক ধরে এ প্রথা অনুসরণ করে আসছেন অনেকেই।
মাদারীপুরে ৪০ গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষের ঈদ:
অন্যদিকে, মাদারীপুর জেলার চারটি উপজেলার অন্তত ৪০টি গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষও সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করেছেন।
সকাল ৮টায় সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের তাল্লুক গ্রামের চর কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, শরীয়তপুরের সুরেশ্বর দরবার শরিফের প্রতিষ্ঠাতা হজরত শাহ সুরেশ্বরী (রহ.)-এর অনুসারীরা প্রায় ১৫০ বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ পালন করে আসছেন। তাদের বিশ্বাস, মক্কা শরিফের সঙ্গে সময়ের পার্থক্য কম হওয়ায় এভাবে ঈদ পালন করা যৌক্তিক। অনুসারীদের মতে, চাঁদ দেখার ভিত্তিতে তারা ঈদ উদযাপন করেন এবং এটিকে দীর্ঘদিনের ধর্মীয় অনুশীলনের অংশ হিসেবে ধরে রেখেছেন। প্রতি বছরই এসব অঞ্চলে আগাম ঈদ উদযাপনকে কেন্দ্র করে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি
