শনিবার, জানুয়ারি ২৮, ২০২৩
No menu items!
বাড়িজাতীয়পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে : মতিয়া চৌধুরী

পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে : মতিয়া চৌধুরী

আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, ১০ জানুয়ারি এক উজ্জ্বল জ্যোতির্ময় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। যুদ্ধের পরে দেশে সব কিছুই ধ্বংস হয়েছিল। ফাঁসির মঞ্চ থেকে ফিরে এসে বঙ্গবন্ধু বাংলার মাটি ও মানুষকে শূন্য থেকে গড়ে তুলেছেন। আজ শেখ হাসিনার হাত ধরে বঙ্গবন্ধুর সকল স্বপ্ন বাস্তবায়িত হচ্ছে। পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে ছাত্রলীগের আয়োজিত ‘জাতির পিতা ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: ভেঙেছে দুয়ার এসেছে জ্যোতির্ময়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ঘটনার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মতিয়া চৌধুরী বলেন, “বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে মানুষের এত আগ্রহ ছিল যে বিমান বন্দরে লোকারণ্যের কারণে অনেকবার বিমান মাটি স্পর্শ করতে গিয়েও পারেনি। ফাঁসির মঞ্চ থেকে নিজের স্বদেশে ফিরে এসে বঙ্গবন্ধুর অনুভূতি কেমন ছিল সেটা কখনো কেউ উপলব্ধি করতে পারবে না। একমাত্র বঙ্গবন্ধুর পক্ষেই তা সম্ভব। বিমান থেকে নেমে তিনি বাংলার মাটিতে এক উজ্জ্বল জ্যোতির্ময় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। সেদিন তিনি যে বক্তব্যটা দিলেন, তার কণ্ঠ বারবার আবেগে রুদ্ধ হয়ে আসছিল। বঙ্গবন্ধুর সেই বক্তব্য সাধারণ জনতাকে স্পর্শ করে গিয়েছিল। তিনি মানুষের হৃদয়ে যে উচ্চাসন দখল করেছিলেন তা আর কারো দ্বারা সম্ভব না।”

মতিয়া চৌধুরী আরও বলেন, “বাংলার মাটি ও মানুষকে তিনি (বঙ্গবন্ধু) শূন্য থেকে গড়ে তুলেছেন। তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের যে গ্যারান্টি বঙ্গবন্ধু দিয়েছিলেন তার কন্যার হাত ধরে তা আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে। তার প্রমাণ আজ আমাদের সামনে। পাকিস্তান পার্লামেন্টের একজন মেম্বার বক্তব্য দেওয়ার সময় বলেন, ‘আমরা পাকিস্তানকে সুইজারল্যান্ড বানাবে’। এর জবাবে আরেকজন মেম্বার উঠে দাঁড়িয়ে বলেন আমরা সুইজারল্যান্ড চাই না, আমাদের বাংলাদেশ বানিয়ে দাও। এ জিনিসগুলো শুনলে নিজের রাজনৈতিক জীবন সার্থক মনে হয়।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্যে রাখেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া। তিনি বলেন, “শুধু ১০ জানুয়ারি নয়, একজন কৃতজ্ঞ বাঙালি হিসেবে প্রতিদিনই আমাদের বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করা উচিত। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গবন্ধু কখনো আত্মগোপনে থাকেননি, পালিয়ে বেড়াননি। অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে তিনি পাকিস্তানিদের কাছে কখনো মাথা নত করেননি।”

ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো সামাদ। আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত।

সাবস্ক্রাইব
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
আরো দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ