লেবাননে বুধবার (১৩ মে) ইসরাইলের ধারাবাহিক বিমান হামলায় দুই শিশুসহ অন্তত ১২ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণে উপকূলীয় মহাসড়কে ড্রোন হামলার পাশাপাশি সাইদান এবং টায়ার জেলায় চালানো এই হামলাগুলো মূলত হিজবুল্লাহর অবকাঠামো এবং নির্দিষ্ট যানবাহন লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের ৯টি এলাকার বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ছাড়ার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি অভিযান আরও জোরদার করেছে।
অন্যদিকে, হিজবুল্লাহও বসে নেই; তারা কামিকাজে ড্রোন ব্যবহার করে ইসরাইলি বাহিনীর ওপর পাল্টা হামলা চালিয়ে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়িয়ে দিয়েছে।
বেসামরিক এলাকায় ক্রমবর্ধমান এই হামলা এবং প্রাণহানি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে, কারণ এটি একটি সর্বাত্মক ও দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের সংকেত দিচ্ছে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় এই সংঘাত কেবল সামরিক গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মানবিক বিপর্যয়ের দিকে মোড় নিচ্ছে।
