ইরানের নৌবাহিনী কার্যত বিলুপ্ত, বিমানবাহিনী ধ্বংসস্তূপে পরিণত এবং দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে—এমন দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump।
স্থানীয় সময় বুধবার (২ এপ্রিল) রাত ৯টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান “অপারেশন এপিক ফিউরি” শুরু হওয়ার এক মাসের মধ্যেই মার্কিন বাহিনী দ্রুত, চূড়ান্ত ও অপ্রতিরোধ্য সাফল্য অর্জন করেছে।
ট্রাম্প দাবি করেন, গত চার সপ্তাহে ইরানের অধিকাংশ সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়ার সক্ষমতা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে এবং অস্ত্র কারখানা ও রকেট লঞ্চারগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইরানের অনেক শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন এবং দেশটির সামরিক কাঠামো মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।
ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান না নিলে মধ্যপ্রাচ্য ও ইসরায়েলের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ত।
এ সময় তিনি ২০১৫ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট Barack Obama-এর আমলে স্বাক্ষরিত বহুপাক্ষিক পারমাণবিক চুক্তির সমালোচনা করেন। ট্রাম্পের দাবি, ওই চুক্তি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ করে দিত।
তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ওই চুক্তির আওতায় কঠোর নজরদারির বিনিময়ে ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করেছিল। অন্যদিকে, ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে যে তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করেনি।
