৮ মে ওড়িশা উপকূলের ড. এপিজে আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) এবং স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড যৌথভাবে পরীক্ষাটি পরিচালনা করে।
প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রটি একাধিক বিস্ফোরক পদার্থ বহন করে উড্ডয়ন করেছে, যা ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে সুনির্দিষ্টভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয়।
ভূমি এবং সমুদ্রের একাধিক স্টেশন থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ এবং পর্যালোচনা করে থাকে। পরীক্ষা চলাকালীন মিশনের সমস্ত উদ্দেশ্য সফলভাবে অর্জিত হয়েছে বলে ফ্লাইটের ট্র্যাকিং ডাটা নিশ্চিত করেছে।
কারণ প্রতিটি বিস্ফোরক আলাদা আলাদাভাবে নিজস্ব গতিপথ অনুসরণ করে আগাত হানে।
যদিও ডিআরডিও ক্ষেপণাস্ত্রটির আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ঘোষণা করেনি। তবে এটিকে অগ্নি-৫ সিরিজের সঙ্গে যুক্ত একটি উন্নত সংস্করণের ক্ষেপনাস্ত্র ছিল বলে জানা গেছে। পরীক্ষাটিকে ভারতের আন্ত মহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) সক্ষমতা উন্নয়নের অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা।
আইসিবিএম হলো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, যা ৫৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
