ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে ক্যাম্পাসে। প্রার্থী, ভোটার, প্যানেল নিয়ে চলছে বিশ্লেষণ। অন্যদিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচন নিয়ে ধীরগতি লক্ষ করা গেছে।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু, ১১ সেপ্টেম্বর জাকসু ও ১৫ সেপ্টেম্বর রাকসু নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ডাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন খবরের কাগজকে বলেন, ‘আমরা কোনো চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছি না, আমরা আমাদের স্বাভাবিক গতিতে যাচ্ছি। যেই টাইমলাইন রয়েছে, ওই টাইমলাইনের মধ্যে শেষ করতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে দেখা গেছে, ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের খসড়া ভোটার তালিকা প্রতিটি হলে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে; যার ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যেও একধরনের উৎসবের আমেজ লক্ষ করা যাচ্ছে। মোট ৩৯ হাজার ৯৩২ জন খসড়া ভোটার তালিকায় স্থান পেয়েছে। এ নিয়ে কারও আপত্তি থাকলে জানাতে বলেছে প্রশাসন। আগামী ১১ আগস্ট বিকেল ৪টায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডাকসুকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আন্তরিকতায় সন্তুষ্ট তারা। সেই সঙ্গে দীর্ঘ ছয় বছর আটকে থাকার পর ডাকসু নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করার পর সবার মনেই একধরনের আশার সঞ্চার হয়েছে। কে কোন পদে লড়বেন- এ নিয়েও চলছে বেশ হিসাব-নিকাশ। ছাত্রসংগঠনগুলো প্যানেল-প্রার্থী নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে।
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণকালীন শিক্ষার্থী হলেই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া যাবে। স্নাতক, স্নাতকোত্তর কিংবা এমফিলে অধ্যয়নরত কোনো শিক্ষার্থী আবাসিক হলে অবস্থানরত বা সংযুক্ত, তিনিই ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। আগামী ১২ আগস্ট নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হবে।