গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নিজস্ব অর্থায়নে ধারাবাহিক উন্নয়নমূলক কাজ করে সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন গাজীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আরিফুল ইসলাম সরকার। রাস্তা সংস্কার, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সহযোগিতা, অসহায় মানুষের চিকিৎসাসেবা এবং ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণসহ নানা জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে এলাকায় প্রশংসা কুড়াচ্ছেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে থাকা একাধিক সড়ক নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কার করেছেন আরিফুল ইসলাম সরকার। এর মধ্যে রয়েছে মাওনা চকপাড়া মেডিকেল মোড় এলাকার রাস্তার ইটের সলিংসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের উন্নয়নকাজ। ইতোমধ্যে পাঁচটি রাস্তা সংস্কার সম্পন্ন হয়েছে এবং আরও কয়েকটি উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে।
এ ছাড়া শতাধিক মসজিদ ও মাদ্রাসায় আর্থিক সহযোগিতা, অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা, চিকিৎসার অভাবে কষ্টে থাকা মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মাওনা চকপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণকাজে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন তিনি।
তরুণদের মোবাইল আসক্তি ও মাদক থেকে দূরে রাখতে বিভিন্ন এলাকায় ফুটবল ও জার্সি বিতরণ করেছেন আরিফুল ইসলাম সরকার। স্থানীয়দের মতে, তরুণদের খেলাধুলামুখী করতে তার এ উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতার কথাও উঠে এসেছে স্থানীয়দের আলোচনায়। বিগত সরকারের সময়ে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় গাজীপুরে সবচেয়ে বেশি জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার নেতাদের একজন ছিলেন গাজীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব আরিফুল ইসলাম সরকার।
সরেজমিনে দেখা গেছে, যেসব এলাকায় দীর্ঘদিন উন্নয়নের ছোঁয়া ছিল না, সেসব এলাকাতেই এখন দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক পরিচয়ের গণ্ডি পেরিয়ে একজন মানবিক ও জনবান্ধব নেতা হিসেবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, “মানুষের দুঃখ-কষ্টে সবসময় পাশে থাকেন আরিফুল ইসলাম সরকার। রাস্তা-ঘাট থেকে শুরু করে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার উন্নয়নে তার অবদান রয়েছে। এমন জনপ্রতিনিধিকেই আমরা চাই।”
এ বিষয়ে আলহাজ্ব আরিফুল ইসলাম সরকার বলেন, “রাজনীতি মানে মানুষের সেবা। এলাকার মানুষের কষ্ট লাঘব এবং উন্নয়নের স্বার্থেই নিজস্ব অর্থায়নে এসব কাজ করছি। ভবিষ্যতেও জনগণের পাশে থেকে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাব।”
স্থানীয়দের অভিমত, সরকারি সহায়তার অপেক্ষা না করে একজন রাজনৈতিক নেতার এমন স্বতঃস্ফূর্ত উন্নয়ন উদ্যোগ এলাকায় ইতিবাচক দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।
