প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের সেনাবাহিনীকে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী শাসনামলেও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাহিনীটিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালানো হয়।
রোববার ঢাকার সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর দরবারে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়; বরং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই তাদের একমাত্র পবিত্র দায়িত্ব। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সশস্ত্র বাহিনী ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশকে কখনও কেউ পরাজিত করতে পারবে না।
তিনি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময় এবং অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো আমলে সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বাহিনীর দায়িত্বশীল ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর মধ্যে যে দেশপ্রেমের অগ্নিশিখা জ্বালিয়ে গিয়েছিলেন, তা যেন কখনও নিভে না যায়। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়ার কৃতিত্বও তিনি বিএনপি সরকারের বলে উল্লেখ করেন। দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও সংস্কারের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্র মেরামতের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর। দরবারে তিন বাহিনীর প্রধানসহ শীর্ষ জেনারেলরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানরা সরাসরি এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থানরত কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।
