মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও সাহসী সাংবাদিকতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান জানাতে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘গণমাধ্যম সম্মিলন ২০২৬’।
সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এবং সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ যৌথভাবে এ সম্মিলনের আয়োজন করেছে। রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) কমপ্লেক্স মিলনায়তনে সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সম্মিলন চলবে।
সম্মিলনে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষা, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার সমুন্নত রাখার দাবিতে সাংবাদিকরা তাদের মতামত তুলে ধরবেন। এতে আমন্ত্রিত গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও কলাম লেখকরা অংশ নেবেন।
নোয়াব ও সম্পাদক পরিষদের সব সদস্য ছাড়াও অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার, জাতীয় প্রেস ক্লাব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ডিপ্লোম্যাটিক করেসপনডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম, ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন এবং ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতা, ঢাকার বাইরে কর্মরত সাংবাদিক এবং গণমাধ্যমের সম্পাদক-প্রকাশকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
আয়োজক সংগঠনগুলোর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারাবাহিকভাবে সহিংসতার, বিশেষ করে মব ভায়োলেন্সের শিকার হচ্ছে, যা নজিরবিহীন। এ প্রেক্ষাপটে দায়িত্বশীল ও সাহসী সাংবাদিকতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এ সম্মিলনের আয়োজন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ এবং নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীরকে হেনস্তার প্রতিবাদে ‘মব ভায়োলেন্সে আক্রান্ত বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত ২২ ডিসেম্বর রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে নোয়াব ও সম্পাদক পরিষদের আয়োজিত ওই সভা থেকেই সাংবাদিক মহাসমাবেশের ঘোষণা দেন নোয়াব সভাপতি এ কে আজাদ।
