রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতে অংশ নিয়েছেন মো. সাহাবুদ্দিন ও তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে সাতটায় অনুষ্ঠিত এই জামাতে তারা পাশাপাশি নামাজ আদায় করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সালাহউদ্দিন আহমেদ, মীর শাহে আলম এবং ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এছাড়াও সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জামাতে অংশ নেন।
নামাজ শেষে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
সকাল থেকেই ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জাতীয় ঈদগাহে প্রবেশের জন্য লাইনে দাঁড়ান। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে প্রবেশপথে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি চালানো হয়। পুরো ঈদগাহ ময়দান ও আশপাশের এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রাখা হয়।
জাতীয় ঈদগাহে প্রবেশের প্রধান তিনটি পয়েন্ট মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব ও শিক্ষা ভবন এলাকায় রোড ব্যারিকেড স্থাপন করা হয়, যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ময়দানের চারপাশে পুলিশের টহল ও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল চোখে পড়ার মতো।
নামাজের নির্ধারিত সময়ের আগেই জাতীয় ঈদগাহ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। ফলে অনেক মুসল্লি ময়দানে জায়গা না পেয়ে আশপাশের রাস্তায় নামাজ আদায় করেন।
এবার জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। মুসল্লিদের প্রবেশের জন্য চারটি এবং বের হওয়ার জন্য সাতটি পৃথক পথ রাখা হয়। পুরো মাঠে ১২১টি কাতার প্রস্তুত করা হয় এবং একসঙ্গে ১৪০ জনের ওজুর বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়।
নিরাপত্তা নিশ্চিতে জাতীয় ঈদগাহে ছয় স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এছাড়া রাজধানী ঢাকায় প্রায় এক হাজার ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে দেড় হাজার পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
