আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশের ২৯৮টি নির্বাচনী এলাকায় ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দ শেষ হওয়ায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সারাদেশের ২৯৮টি আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করেন।
এ বিষয়ে ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক সরকারি সংবাদ সংস্থা বাসসকে জানান, বিকেল ৫টার মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম শেষ হয়েছে। এখন রিটার্নিং কর্মকর্তারা নিজ নিজ আসনে কতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, সে তথ্য নির্বাচন কমিশনে পাঠাবেন। ফরম-৫ পূরণ করে পাঠানোর পর সেই অনুযায়ী ব্যালট পেপার ছাপানো হবে। আগামীকাল থেকেই ব্যালট পেপার ছাপানোর কাজ শুরু হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।
ইসির রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫ অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ আগে থেকে প্রচারণা শুরু করা যাবে এবং ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রচারণা বন্ধ করতে হবে।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ২৯৮টি আসনে (পাবনা-১ ও ২ বাদে) মোট ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৫৮০টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। এর মধ্যে ১ হাজার ৮৫৫টি বৈধ ও ৭২৫টি বাতিল হয়। বাতিলের বিরুদ্ধে ৬৪৫ জন আপিল করলে ৪৩৭ জন প্রার্থিতা ফিরে পান। এছাড়া প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মোট ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।
তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন তফসিল ঘোষণা করেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ২৯ ডিসেম্বর।
