শনিবার, ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬
No menu items!
বাড়িজাতীয়আজ মহান বিজয় দিবস: শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা, জাতীয় স্মৃতিসৌধে জনতার ঢল-দেশজুড়ে নানা...

আজ মহান বিজয় দিবস: শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা, জাতীয় স্মৃতিসৌধে জনতার ঢল-দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি

বাঙালির চিরগৌরবের দিন আজ ১৬ ডিসেম্বর। মহান মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালের এই দিনে চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। যুদ্ধ জয়ের অপার আনন্দ ও অগণিত শহীদের আত্মদানের বেদনা নিয়ে জাতি আজ ৫৫তম বিজয় দিবস উদ্‌যাপন করছে।

মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে ভোর থেকেই সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে নামে মানুষের ঢল। সেখানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টারা, মুক্তিযোদ্ধা, কূটনীতিক ও রাজনৈতিক দলের নেতাসহ সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। লাল-সবুজ জাতীয় পতাকায় মুখরিত হয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ। রাজধানীর পাশাপাশি সারা দেশেই বিনম্র শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। আজ সরকারি ছুটি।

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানের পর দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে গঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রে শুরু থেকেই পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিরা শোষণ-বঞ্চনার শিকার হয়। মাতৃভাষা ও সংস্কৃতির ওপর আঘাতের প্রতিবাদে ভাষা আন্দোলন ধাপে ধাপে স্বাধিকার ও স্বাধীনতার সংগ্রামে রূপ নেয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর গণহত্যার পর বাংলার বীর সন্তানেরা প্রতিরোধ গড়ে তুলে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ৩০ লাখ শহীদের রক্ত ও দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আসে বিজয়।

বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেন, বিজয় দিবস জাতীয় গৌরবের প্রতীক। স্বাধীনতার সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক করতে হবে। তিনি অর্থনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেন।

প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বাণীতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে জনগণের প্রকৃত ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে গণতান্ত্রিক উত্তরণের নবযাত্রা রক্ষার শপথ নেওয়ার দিন আজ। তিনি বৈষম্যহীন, দুর্নীতি ও স্বৈরাচারমুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

সরকারি কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনি, সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজসহ নানা আয়োজন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনও নিজ নিজ কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করছে।

Notify of
guest
0 Comments
সবচেয়ে পুরাতন
সবচেয়ে নতুন Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
আরো দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ