সীমান্তে কথিত ‘পুশইন’ বা জোরপূর্বক লোকজন পাঠানোর ঘটনা বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে ভারত সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করছে ঢাকা।
সোমবার (৮ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নাগরিক প্রত্যাবাসনের জন্য একটি স্বীকৃত ও কার্যকর ম্যাকানিজম বিদ্যমান রয়েছে। কোনো ব্যক্তিকে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়াই অনুসরণ করতে হবে।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পুশইনের খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে বিজিবি কোনো ধরনের পুশইন গ্রহণ করছে না এবং সরকারও এ ধরনের কার্যক্রম অনুমোদন করছে না।”
শামা ওবায়েদ ইসলাম জানান, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে ১২ থেকে ১৩টি চিঠি পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ককে ইতিবাচক ধারায় এগিয়ে নিতে হলে পুশইনের মতো ঘটনা বন্ধে দিল্লিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, অবৈধভাবে অবস্থানকারী কোনো ব্যক্তির নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইন ও বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি। এ বিষয়ে ভারতকে আইনি পদ্ধতি মেনে চলার আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, উভয় দেশ পারস্পরিক সম্মান ও বিদ্যমান চুক্তির আলোকে সীমান্তসংক্রান্ত বিষয়গুলো সমাধান করে সুসম্পর্ক আরও জোরদার করতে সক্ষম হবে।
