আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে আগামী ৩ মার্চ থেকে অগ্রিম ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। নিয়মিত ট্রেনের পাশাপাশি এবার পাঁচ জোড়া বিশেষ ‘ঈদ স্পেশাল’ ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বুধবার রেলপথ মন্ত্রণালয়–এর জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গত ২২ ফেব্রুয়ারি রেলভবনে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
টিকিট বিক্রির সময়সূচি
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৩ মার্চ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি হবে। আর ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১৩ মার্চ থেকে, যা চলবে ১৯ মার্চ পর্যন্ত।
পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট: সকাল ৮টা থেকে
পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট: দুপুর ২টা থেকে
সব টিকিট অনলাইনে ইস্যু করা হবে
৩ মার্চ বিক্রি হবে ১৩ মার্চের টিকিট, ৪ মার্চ বিক্রি হবে ১৪ মার্চের টিকিট—এভাবে পর্যায়ক্রমে ৯ মার্চ পর্যন্ত ১৯ মার্চের টিকিট বিক্রি চলবে। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট বিক্রি করা হবে।
ফিরতি যাত্রায় ১৩ মার্চ থেকে প্রতিদিন সকাল ৮টায় টিকিট ইস্যু শুরু হবে। ১৩ মার্চ ২৩ মার্চের টিকিট, ১৪ মার্চ ২৪ মার্চের টিকিট—এভাবে ১৯ মার্চ পর্যন্ত ২৯ মার্চের টিকিট বিক্রি করা হবে।
বিশেষ ট্রেন সার্ভিস
ঈদ উপলক্ষে পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে নির্দিষ্ট রুটে। সেগুলো হলো—
চট্টগ্রাম–চাঁদপুর: চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল (১-২)
ঢাকা–দেওয়ানগঞ্জ: তিস্তা স্পেশাল (৩-৪)
ভৈরববাজার/ময়মনসিংহ–কিশোরগঞ্জ: শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল (৫-৮)
জয়দেবপুর–পার্বতীপুর: পার্বতীপুর ঈদ স্পেশাল (৯-১০)
টিকিট সংক্রান্ত নির্দেশনা
শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি
একজন যাত্রী সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট কিনতে পারবেন
টিকিট ফেরতযোগ্য নয়
যাত্রার দিন কাউন্টার থেকে মোট আসনের ২৫% স্ট্যান্ডিং টিকিট পাওয়া যাবে (উচ্চ শ্রেণী ব্যতীত)
অতিরিক্ত ব্যবস্থা:১৬ মার্চ থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত সব আন্তঃনগর ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গগামী কিছু ট্রেন ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে না। নাশকতা রোধে রেললাইন ও সেতুতে বিশেষ টহল, বড় স্টেশনে জিআরপি, আরএনবি, বিজিবি ও পুলিশের সমন্বয়ে কড়া নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
এছাড়া সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করতে পৃথক মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে
